বাংলাদেশ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশীয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ২৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছে। এটি দেশের জাতীয় বাজেটের প্রায় অর্ধেক। এই ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং উচ্চ সুদের কারণে।
গবেষণা ও নীতি একীকরণ উন্নয়ন (র্যাপিড) এর একটি অধ্যয়ন অনুসারে, ঋণ পরিশোধের বর্ধিত খরচ উন্নয়ন ও ম্যাক্রোইকোনমিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে। র্যাপিডের চেয়ারম্যান এম এ রজ্জাক বলেছেন, দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহের দুর্বলতার কারণে ঋণ পরিশোধের খরচ বাড়ছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৭৪ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৩৮.৫ শতাংশের সমান। একই বছরে দেশীয় ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ২৬.২৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।
বাংলাদেশের দেশীয় রাজস্বকে ডলারে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ঋণ পরিশোধের পর ৩৬ শতাংশ অবশিষ্ট থাকে। এম এ রজ্জাক বলেছেন, সরকারি রাজস্বের মধ্যে ঋণ পরিশোধের অংশ বেশি।
গত কয়েক বছর ধরে উন্নয়ন বাজেট প্রায়ই নামমাত্র হয়েছে। সরকারি ব্যয়ের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে।
এম এ রজ্জাক বলেছেন, বিদেশি ঋণের পাশাপাশি দেশীয় খাত থেকেও ঋণ গ্রহণ বেড়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশীয় ঋণ গ্রহণ দ্রুত বেড়েছে।
ঋণ পরিশোধের চাপ কমাতে সরকারকে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর প্রয়োজন। এছাড়াও, সরকারকে উন্নয়ন বাজেট বাড়াতে হবে এবং ঋণ গ্রহণ কমাতে হবে।
ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। এতে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি, উন্নয়ন বাজেট বৃদ্ধি এবং ঋণ গ্রহণ হ্রাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমাতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য সরকারকে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর প্রয়োজন। এছাড়াও, সরকারকে উন্নয়ন বাজেট বাড়াতে হবে এবং ঋণ গ্রহণ কমাতে হবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। এতে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি, উন্নয়ন বাজেট বৃদ্ধি এবং ঋণ গ্রহণ হ্রাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমাতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর প্রয়োজন। এছাড়াও, সরকারকে উন্নয়ন বাজেট বাড়াতে হবে এবং ঋণ গ্রহণ কমাতে হবে।
সরকারকে ঋণ পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে হবে। এতে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি, উন্নয়ন বাজেট বৃদ্ধি এবং ঋণ গ্রহণ হ্রাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকারকে ঋণ পরিশ



