বাংলাদেশের কৃষকরা আগামী বছরের জন্য আলু চাষ কমিয়েছেন। এটি করা হয়েছে বৃহৎ ক্ষতি এড়ানোর জন্য। গত বছর আলুর উৎপাদন বেড়েছিল, কিন্তু দাম কমে গিয়েছিল। এর ফলে কৃষকরা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই মৌসুমে আলু রোপণ করা হয়েছে ৩.৭৭ লাখ হেক্টর জমিতে। এটি গত বছরের তুলনায় ২৩.৪ শতাংশ কম। সরকারের লক্ষ্য ছিল ৪.৬৭ লাখ হেক্টর, কিন্তু কৃষকরা তা অর্জন করতে পারেনি।
আলু বাংলাদেশের প্রধান শাকসবজি এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য শস্য। গত বছর দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে কৃষকরা আলু চাষ বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু এর ফলে বাজারে আলুর অতিরিক্ত সরবরাহ হয়েছিল। এর ফলে দাম কমে গিয়েছিল।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর আলুর উৎপাদন ছিল ১.১৫ কোটি টন। এটি দেশের মোট চাহিদার চেয়ে বেশি। এর ফলে কৃষকরা লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, কৃষকরা আলু চাষ কমিয়েছেন কারণ তারা গত বছরের মতো লোকসানের সম্মুখীন হতে চায় না। তিনি বলেছেন, কৃষকরা আশা করছেন যে আগামী বছর আলুর দাম বেড়ে যাবে।
আলু চাষ কমিয়ে আনার ফলে আগামী বছর আলুর সরবরাহ কমে যাবে। এর ফলে দাম বেড়ে যাবে। কিন্তু এটি ভোক্তাদের জন্য সমস্যা হতে পারে। তারা আলু কিনতে বেশি টাকা দিতে হবে।
সরকারকে আলু চাষের জন্য কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। তাদের আলু চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্থান দিতে হবে। এটি করলে কৃষকরা আলু চাষ করতে উৎসাহিত হবেন। এর ফলে দেশে আলুর সরবরাহ বাড়বে।
আলু চাষ কমিয়ে আনার ফলে কৃষকরা অন্যান্য শস্য চাষ করতে পারেন। তারা ধান, গম, বা অন্যান্য শস্য চাষ করতে পারেন। এটি করলে তারা আরও লাভজনক হবেন।
আলু চাষ কমিয়ে আনার ফলে দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। আলু একটি গুরুত্বপূর্ণ শস্য। এর ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা প্রভাবিত হবে। সরকারকে এটির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।



