জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আগামীকাল বিজয় দিবসে তারা প্রতিরোধের র্যালি করবেন। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধ হবেন।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারত যদি মনে করে ৫ আগস্টের পরেও তারা আগের মতো দেশের রাজনীতির ওপর হস্তক্ষেপ করবে, নির্বাচনে কারচুপি করবে, সেই ভাবনাটা ভুল। সেই ভাবনা তারা ভুল প্রমাণ করবেন।
ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আজ তারা এখানে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য সমবেত হয়েছেন। সেটা হলো, বাংলাদেশ ও জুলাই বিপ্লবীরা ঐক্যবদ্ধ।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ চাই। আমরা চাই—বাংলাদেশে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হোক, গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত থাকুক।
সোমবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইনকিলাব মঞ্চ আয়োজিত সংগঠনটির মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেছেন।
সমাবেশে বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক রাখতে হবে।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই ঘটনার পরিণতি কী হবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট কীভাবে সমাধান হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে এগিয়ে যাবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন দিশা নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজ করবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য সবাই একসঙ্গে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নাহিদ ইসলামের বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নিয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা দেখার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশে



