বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে ঢাকা বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু ভারতীয় মিত্র বাহিনীর আগেই কয়েকজন গেরিলা যোদ্ধা এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা বেতার বন্ধ ছিল। পরদিন সকালে ভারতীয় মিত্র বাহিনী স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু গেরিলা যোদ্ধারা এই ঘোষণা দেওয়ার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম বীরপ্রতীক এই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিজয়ের পর মিত্র বাহিনীর বেতারে ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা জেনে কয়েকজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ভাবলেন, বাঙালির স্বাধীন দেশ পাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নিজেরাই দেবেন।
হাবিবুল আলম আরও বলেছেন, বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মেরাদিয়া দিয়ে ঢাকায় ঢুকতে শুরু করেন তারা। হেঁটে কমলাপুর আসতে আসতে বিকাল ৪টা-৫টা বেজে গিয়েছিল তাদের।
জনতার উল্লাসের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকার কেন্দ্রস্থলের দিকে আসতে থাকেন; এরই মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা হয়ে গেছে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা।
বিজয়োল্লাসের এই ঘনঘটার মধ্যে হাবিবুল আলমরা শুনতে পান, পুরান ঢাকা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রধারী সৈনিকদের মোতায়েন করা হয়েছে বাঙালিদের হত্যার জন্য।
হাবিবুল আলম আরও বলেছেন, এরপর ভারতীয় বাহিনীর কিছুটা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। এরপরও ‘পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, ওই উদ্যোগের প্রভাব ছিল বেশ’।
এই ঘটনার পর হাবিবুল আলম আরও অনেক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস নয়, জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা, পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা এবং বাংলাদেশের গতিপথ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেইসবুক পেইজে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয়।
শালদা নদী আক্রমণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনারত- বাম থেকে ডানে:হাবিবুল আলম, মেজর খালেদ মোশাররফ, ইফতেখার এবং ক্যাপ্টেন সালেক চৌধুরী।
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খবরে সারা দেশ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা আসতে শুরু করেন ঢাকার দিকে, সেই সারিতে ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের তরুণ গেরিলা যোদ্ধা হাবিবুল আলমরা।
বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মেরাদিয়া দিয়ে ঢাকায় ঢুকতে শুরু করেন তারা। হেঁটে কমলাপুর আসতে আসতে বিকাল ৪টা-৫টা বেজে গিয়েছিল তাদের।
জনতার উল্লাসের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকার কেন্দ্রস্থলের দিকে আসতে থাকেন; এরই মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারা হয়ে গেছে আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিকতা।
বিজয়োল্লাসের এই ঘনঘটার মধ্যে হাবিবুল আলমরা শুনতে পান, পুরান ঢাকা ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্রধারী সৈনিকদের মোতায়েন করা হয়েছে বাঙালিদের হত্যার জন্য।
হাবিবুল আলম আরও বলেছেন, এরপর ভারতীয় বাহিনীর কিছুটা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। এরপরও ‘পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, ওই উদ্যোগের প্রভাব ছ



