সরকার নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা নীতিমালা জারি করেছে। এই নীতিমালার মাধ্যমে, রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীরা আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের সুযোগ পাবেন।
এই নীতিমালাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রার্থীরা এই নীতিমালার আওতায় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই নীতিমালার শর্ত অনুসারে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে প্রার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে হবে।
এই নীতিমালার আওতায়, দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। প্রথমত, সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের প্রার্থীরা যাদের মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়েছে।
এই নীতিমালার শর্ত অনুসারে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে প্রার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
এই নীতিমালার আওতায়, কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না।
এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে।
লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে।
কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তাহলে তিনি এই নীতিমালার আওতায় লাইসেন্স পেতে পারবেন।
এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে, সরকার নির্বাচনের প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ এবং ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করবে।



