বলিউড অভিনেতা সোহেল খান মুম্বাইয়ের বান্দ্রা রাস্তায় ১৭ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল চালানোর সময় মুখোশহীন অবস্থায় ধরা পড়েন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যার পরে অনেকেই তার এই কাজের সমালোচনা করেন।
সোহেল খান সামাজিক মাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে তার ভুল স্বীকার করেন এবং ক্ষমা চান। তিনি বলেন, মুখোশহীন অবস্থায় মোটরসাইকেল চালানো ভুল ছিল, যদিও তিনি ক্লাউস্ট্রোফোবিয়া সমস্যা থেকে ভুগছেন। তিনি সমস্ত মোটরসাইকেল চালকদের মুখোশ পরিধান করার অনুরোধ জানান।
সোহেল খান তার শৈশব থেকেই মোটরসাইকেল চালানোর প্রতি আগ্রহী ছিলেন। তিনি বলেন, তিনি সাধারণত রাতে মোটরসাইকেল চালান, যখন ট্রাফিক কম থাকে। তিনি তার গাড়ি সঙ্গে নিয়ে চালান, যাতে ঝুঁকি কম থাকে। তবে, তিনি স্বীকার করেন যে এই সতর্কতা অবলম্বন করলেও ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করা উচিত নয়।
সোহেল খান ট্রাফিক কর্তৃপক্ষের কাছেও ক্ষমা চান এবং জানান যে তিনি এখন থেকে সব নিয়ম মেনে চলবেন। তিনি সেই সব মোটরসাইকেল চালকদের প্রশংসা করেন, যারা অস্বস্তিকর অনুভূতি সত্ত্বেও মুখোশ পরিধান করেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তার জন্য মুখোশ পরিধান করা অপরিহার্য।
এই ঘটনার পর সোহেল খান আবার মাধ্যমের সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি কয়েক বছর ধরে চলচ্চিত্র জগত থেকে দূরে ছিলেন। ২০১৭ সালে তিনি ‘টিউবলাইট’ ছবিতে অভিনয় করেন, যেখানে তার ভাই সালমান খানও অভিনয় করেছিলেন। এরপর থেকে তিনি চলচ্চিত্র জগতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন।
সোহেল খানের এই ঘটনাটি তাকে আবার মাধ্যমের সম্মুখীন করেছে। তিনি তার ভুল স্বীকার করেছেন এবং ক্ষমা চেয়েছেন। এটি তার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
সোহেল খানের এই ঘটনাটি আমাদেরকে নিরাপত্তার গুরুত্ব সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেয়। মোটরসাইকেল চালানোর সময় মুখোশ পরিধান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদেরকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। আমাদের সকলকেই নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত।
সোহেল খানের এই ঘটনাটি আমাদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। আমাদের সকলকেই নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত এবং নিয়ম মেনে চলা উচিত। এটি আমাদেরকে নিরাপদ রাখবে এবং সমাজকেও নিরাপদ রাখবে।



