জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে গণহত্যাকারী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের হস্তান্তর করা উচিত। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাসহ সকল খুনিকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
সোমবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন বলেন, আমরা গোটা বাংলাদেশের প্রয়োজনে আজ এখানে একত্রিত হয়েছি।
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, আবু সাঈদ জীবন দিয়েছে, শরিফ ওসমান হাদি গুলি খেয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত।
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যরিস্টার ফুয়াদ আব্দুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সরকারকে অবিলম্বে গণহত্যাকারী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের হস্তান্তর করতে হবে।
এই সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত।
এই সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় এসেছে। এই সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এই সমাবেশের পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী। কেউ কেউ বলছে, এই সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় এসেছে। অন্যরা বলছে, এই সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
এই সমাবেশের পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকেই আগ্রহী। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, এই সমাবেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ তাদের অধিকার রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।



