সরকার রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগে একটি নীতিমালা করেছে। এই নীতিমালার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের লক্ষ্যে সরকার এই নীতিমালা প্রণয়ন ও জারি করেছে।
নীতিমালায় রিটেইনারের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত ও অনুমোদিত সশস্ত্র ব্যক্তি। এই নীতিমালার আওতায় যাঁদেরকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে সে বিষয়ে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অর্থ, সরকার কর্তৃক স্বীকৃত বর্তমান বা সাবেক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং পদপ্রার্থী অর্থ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ব্যক্তি।
আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে হবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তাঝুঁকি বিদ্যমান থাকতে হবে, শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা থাকতে হবে এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এই নীতিমালার অধীনে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে এ–সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা অন্যান্য নীতিমালা ও বিধান প্রযোজ্য হবে। তবে ব্যক্তিগত আয়কর প্রদান–সংক্রান্ত অংশ শিথিলযোগ্য হবে।
এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন হবে। ওই সময়ের পর এ লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য জারিকৃত নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে।
এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এটি জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতেও সাহায্য করবে।
এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে। এটি জাতীয় নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে সরকার রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ



