বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বিএনপি নেবে।
সোমবার রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ও উদার পথে এগোবে, নাকি পশ্চাৎমুখী হবে- তা এই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ২৪-এর জুলাই যোদ্ধাদের অনেকের মধ্যেই আশঙ্কা আছে- এই অন্তর্বর্তী সরকারের পর নতুন সরকার এলে তাদের নিরাপত্তা কী হবে। আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জনগণের ভোটে আমরা নির্বাচিত হয়ে এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা আমরা দেব।
বিজয় দিবসের প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা এ দেশের মানুষের ওপর নির্মম অত্যাচার ও গণহত্যা চালিয়েছিল, যা জাতি কখনো ভুলতে পারে না। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের দিন-এই সত্য আমাদের দৃঢ়ভাবে মনে রাখতে হবে।
দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ত্যাগ স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের পতাকা হাতে নিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকবে। শেষে বিএনপি মহাসচিব বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনা, শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বিজয় দিবসকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দিন হিসেবে উদযাপন করা হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিজয় দিবসের এই আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিবের ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন দিক যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।



