ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বিথী নেসলে বাংলাদেশকে কিটক্যাট চকলেটের একটি ব্যাচ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নিতে আদেশ দেন। এই চকলেটটি সরকারি খাদ্য পরীক্ষাগারের পরীক্ষায় ‘নিম্নমান’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
কামরুল হাসান বলেছেন, কিটক্যাটের ‘ফোর-ফিঙ্গার ওয়েফার’ চকলেটের ব্যাচটি ‘নিম্নমান’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এই চকলেটটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এজন্য আদালত কোম্পানিকে আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে বাজার থেকে চকলেট প্রত্যাহার করে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে।
নেসলে বাংলাদেশকে ‘৪৪৩৯৯১৩৯’ নম্বর ব্যাচের চকলেট প্রত্যাহার করে নিতে হবে, যার উৎপাদন ব্যাচ নম্বর ‘৬২৯৪০০৩৫৩৯০৫৪’। এই ব্যাচের চকলেট উৎপাদিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে; চলতি বছরের মে মাসে। আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এসব চকলেটের মেয়াদ রয়েছে।
কামরুল হাসান বলেছেন, ওয়েফার বিস্কুটে সর্বোচ্চ ১ শতাংশের বিপরীতে ২ দশমিক ৩২ শতাংশ অম্লতা (অ্যাসিডিটি) পাওয়া গেছে। অন্যদিকে চকলেটে ‘মিল্ক সলিড’ ছিল ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, যা বিএসটিআই নির্ধারিত ১২ থেকে ১৪ শতাংশের চেয়ে কম। চকলেটে মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায় ১ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা থাকার কথা ছিল আড়াই থেকে সাড়ে ৩ শতাংশ।
কামরুল হাসান এর আগে বলেছিলেন, মিল্ক সলিড কম থাকার মানে হলো, খাদ্যে ভেজাল থাকতে পারে। আর মিল্ক ফ্যাট কম থাকা বোঝায়, দুধের চর্বির পরিবর্তে তেল বা ভেজিটেবল ফ্যাট ব্যবহার করা হয়েছে। এই ঘটনাটি খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোম্পানিকে বাজার থেকে চকলেট প্রত্যাহার করে নিতে হবে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
নেসলে বাংলাদেশ বলেছে, পণ্য প্রত্যাহারের বিষয়ে তারা সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। কোম্পানিটি বাজার থেকে চকলেট প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য কাজ করছে। এই ঘটনাটি খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান পরীক্ষা করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান পরীক্ষা করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আরও সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের খাদ্য পণ্যের গুণমান পরীক্ষা করার জন্য সব ধরনের পদ



