ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো তার প্রধান দুই মিত্র রাশিয়া ও চীনের প্রতি নির্ভরশীলতা এখন অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
একসময় অটুট ছিল এই সম্পর্ক, কিন্তু বর্তমানে এটি কেবল প্রতীকী বলে মনে হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া ও চীন এখন শুধু মৌখিক সমর্থন দিচ্ছে, বাস্তব সামরিক বা আর্থিক সহায়তা নয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে একটি পারমাণবিক চালিত সাবমারিন, গোয়েন্দা বিমান ও ১৫ হাজার সেনা রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে নৌযানে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ৮০ এর বেশি লোক নিহত হয়েছে।
সাম্প্রতিক দিনে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার উপকূলে একটি তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে।
মার্কিন প্রশাসন বলছে, সামরিক মোতায়েন ও হামলা মাদক চোরাচালান রোধে করা হয়েছে, আর ট্যাঙ্কারটি নিষিদ্ধ ছিল।
কিন্তু অনেক বিশেষজ্ঞ ও মাদুরো নিজেই বিশ্বাস করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত লক্ষ্য হলো সরকার পরিবর্তন।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের সবচেয়ে বড় সংকটের সময়ে, কী পরিবর্তন হয়েছে?
চিলির আন্দ্রেস বেলো বিশ্ববিদ্যালয়ের চীন অধ্যয়ন কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ফার্নান্ডো রেয়েস মাত্তা বলেন, ভেনেজুয়েলা এখন রাশিয়া ও চীনের জন্য অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ।
রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধে বিপুল সংস্থান বরাদ্দ করেছে, যার ফলে তার অর্থনীতি ও সামরিক বাহিনী উভয়ই চাপের মধ্যে পড়েছে।
রাশিয়ার উপর পশ্চিমা দেশগুলোর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এটি রাশিয়ার জন্য তার মিত্রদের সাহায্য করার ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে, যারা আগে ক্রেমলিনের সমর্থন পেত।
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি এখন কী হবে, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও অনিশ্চিত।



