বাংলাদেশে এমটিএফই নামক একটি কানাডা-ভিত্তিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়েছে হাজার হাজার বাংলাদেশি বিনিয়োগকারী। এই প্ল্যাটফর্মটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ে উচ্চ রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করেছিল।
সিআইডি জানিয়েছে, তারা এমটিএফই থেকে প্রতারণার শিকার হয়ে যাওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য একটি বিদেশি ফার্মের সাথে একটি চুক্তি সাক্ষর করেছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার যে বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফেরত আনা হবে।
এমটিএফই প্ল্যাটফর্মটি ২০২২ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে তার কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০২৩ সালের প্রথম দিকে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা ভার্চুয়াল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট তৈরি করে এবং ভার্চুয়াল ডলার জমা দেয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছে, এমটিএফই প্ল্যাটফর্মটি একটি কৃত্রিম ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিনিয়োগকারীদের মনে এই ধারণা তৈরি করেছিল যে তারা আসলেই ট্রেডিং করছে। প্রথম দিকে, এটি বিনিয়োগকারীদের উচ্চ রিটার্ন দিয়ে তাদের আস্থা অর্জন করেছিল।
২০২৩ সালের মধ্যভাগে, এমটিএফই প্ল্যাটফর্মটি হঠাৎ করে তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং বিনিয়োগকারীদের তাদের অর্থ উত্তোলন করতে বাধা দেয়। তদন্তকারীরা পরে নিশ্চিত করেছে যে বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্টে দেখানো ভার্চুয়াল কারেন্সি সম্পূর্ণভাবে কৃত্রিম ছিল।
সিআইডি জানিয়েছে, এমটিএফই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে, যার বেশিরভাগই বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ। সিআইডি এই অর্থ ফেরত আনার জন্য কাজ করছে।
সিআইডি প্রধান মোঃ সিবগাত উল্লাহ জানিয়েছেন, তারা এমটিএফই থেকে প্রতারণার শিকার হয়ে যাওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তিনি আশা করছেন যে শীঘ্রই এই অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে।
এই ঘটনায় সিআইডি তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং আশা করছে যে শীঘ্রই এই প্রতারণার সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের এই প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। সরকারকে এই ধরনের প্রতারণা রোধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই ঘটনায় সিআইডির তদন্ত ও অর্থ ফেরত আনার প্রচেষ্টা বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আশার কথা। আশা করা যায় যে শীঘ্রই এই প্রতারণার সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া অর্থ ফেরত পাবেন।
এই ঘটনায় সরকারকে এই ধরনের প্রতারণা রোধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের সচেতন করে তোলা উচিত যাতে তারা এই ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়।
সিআইডির তদন্ত ও অর্থ ফেরত আনার প্রচেষ্টা বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আশার কথা। আশা করা যায় যে শীঘ্রই এই প্রতারণার সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এ



