বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র উদ্যোগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মোট জিডিপির প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে আসে এবং এই খাতটি দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। সঠিক পরিকল্পনা ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা গেলে ক্ষুদ্র উদ্যোগই বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তিতে পরিণত হতে পারে।
ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ‘ভ্যালু চেইন এক্সপো–২০২৫’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ইফাদ, পিকেএসএফ ও ইএসডিও’র যৌথ আয়োজনে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্যের প্রচারণা করা হয়।
ইফাদ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. ভ্যালানটাইন আচানচো বলেন, ইফাদ বিশ্বজুড়ে প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা শুধু উদ্যোগ নয়, নিজেদের স্বপ্ন নিয়েও এগোচ্ছেন। ভ্যালু চেইন কার্যক্রমে যুক্ত পরিবারগুলো নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের মাধ্যমে জীবনমান উন্নত করছে।
পিকেএসএফ-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক তানভির সুলতানা বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ও সম্ভাবনাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পিকেএসএফ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। আরএমটিপি প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. হাবিবুর রহমান জানান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে।
ইফাদের প্রাইভেট সেক্টর ইউনিটের বিশেষজ্ঞ লরনা গ্রেস বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীজনের অংশগ্রহণ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্পর্ক উন্নয়নই ভ্যালু চেইন কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও টেকসই করবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্মসচিব পরিমল সরকার বলেন, উৎপাদিত পণ্যের মান, বিপণন এবং বাজারজাতকরণে ঘাটতির কারণে অনেক উদ্যোক্তা টিকে থাকতে পারে না।
তিনি জানান, সম্ভাবনাময় এই খাতকে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে পারলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। ইএসডিও’র প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, ইএসডিও তৃণমূল মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে যাতে এসব উদ্যোগ একদিন বড় হয়ে উঠতে পারে।
ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ও সম্ভাবনাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও স্থান করে নিচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীজনের অংশগ্রহণ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সম্পর্ক উন্নয়নই ভ্যালু চেইন কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও টেকসই করবে।
ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ও সম্ভাবনাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হলে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের মান, বিপণন ও বাজারজাতকরণে ঘাটতির কারণে অনেক উদ্যোক্তা টিকে থাকতে পারে না। সম্ভাবন



