গ্রিসে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। এই প্রলোভনে পড়ে অনেক বেকার ও হতাশগ্রস্ত যুবক লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে এই চক্রের সাথে যুক্ত হয়েছিল। তারা প্রথমে বাংলাদেশে বিমানে করে দুবাই, পরে সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। লিবিয়া থেকে তাদের যাওয়ার কথা ছিল গ্রিসে। কিন্তু লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদেরকে একদল মাফিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
এই চক্রের হোতা গ্রেফতার করা হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) কর্তৃক। এই চক্রের অন্যতম সদস্য গ্রিস প্রবাসী বাংলাদেশি। তারা বেকার ও হতাশগ্রস্ত যুবকদের নিকট হতে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করে প্রথমে তাদের বাংলাদেশে বিমানে করে দুবাই, পরে সেখান থেকে মিশর হয়ে লিবিয়ায় পাঠায়। লিবিয়া থেকে তাদের যাওয়ার কথা ছিল গ্রিসে। কিন্তু লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদেরকে একদল মাফিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
বৈধপথে যেই সকল অভিবাসনপ্রত্যাশী কাজের সন্ধানে ইতালি, গ্রিস, সাইপ্রাস ইত্যাদি দেশে যেতে পারেন না, তাদের একমাত্র ভরসা আন্তর্জাতিক আদম পাচারকারী ও তাদের সহযোগী দালাল। তারা দুবাই-তুরস্ক বা মিশর হয়ে লিবিয়ায় যান এবং সেখান থেকে সমুদ্রপথে যান ইতালি বা ইউরোপের অন্য দেশ। তারা অনেক সময় ভুল করে চলে যান মালটা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলে তাদের আবার লিবিয়া বা তিউনিসিয়ায় পাঠাইয়া দেওয়া হয়। কেউ কেউ আবার ঝুঁকিপূর্ণ পথে ইউরোপ যেতে গিয়া মাঝ দরিয়ায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটিলে সলিলসমাধির শিকার হন।
অতএব, বিপজ্জনকভাবে বিদেশ গমন প্রতিরোধ করিতে হবে। এই জন্য দেশেই ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠা করা দরকার আইনের শাসন বা সুশাসন। তাহা হলে বিদেশ যেতে কেউ তেমন উৎসাহবোধ করবেন না। ইহাতে এমন হতাশা ও অপমানজনক পরিস্থিতি হতেও আমরা পরিত্রাণ লাভ করিব।
পরবর্তী আদালতের পরিস্থিতি জানানো হবে। সংবেদনশীল বিষয়ে সতর্কতা বজায় রাখা হবে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে।



