উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন পিঠাপিঠি করেছেন আহত সৈন্যদের যারা রাশিয়ার সাথে উক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। পিয়ংইয়ং শহরে একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই সৈন্যদের স্বাগত জানিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কিম জং উন ৫২৮তম রেজিমেন্ট অফ ইঞ্জিনিয়ার্সকে প্রশংসা করেছেন যারা রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি বলেছেন, এই রেজিমেন্ট অসাধারণ সাহস দেখিয়েছে।
কিম জং উন বলেছেন, এই রেজিমেন্ট মাত্র তিন মাসের মধ্যে একটি বিপজ্জনক এলাকাকে নিরাপদ এবং নিরাপদ করে তুলেছে। তিনি আরও বলেছেন, এই রেজিমেন্টের সৈন্যরা পশ্চিমা দেশগুলির সামরিক সরঞ্জামের সাথে তুলনা করা যায় না।
উত্তর কোরিয়ার নেতা এই রেজিমেন্টের নয়জন সৈন্যকে বীর উপাধি প্রদান করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, এই রেজিমেন্ট উত্তর কোরিয়ার স্বাধীনতা এবং স্বাধিনতার জন্য অবদান রেখেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা রাশিয়ার সাথে উক্রেন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। তারা কুর্স্ক অঞ্চলে মাইন পরিষ্কার করতে সাহায্য করেছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, এই রেজিমেন্টের অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রমাণ। তিনি আরও বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা বিশ্বের সামনে তাদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি আস্থা বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও, এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্ত করবে।
উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তি বিশ্বের সামনে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে। এই চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বের দেশগুলি উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি সতর্ক হবে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি আস্থা বাড়াবে। এছাড়াও, এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্ত করবে।
উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তি বিশ্বের সামনে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে। এই চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বের দেশগুলি উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি সতর্ক হবে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি আস্থা বাড়াবে। এছাড়াও, এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্ত করবে।
উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তি বিশ্বের সামনে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে। এই চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বের দেশগুলি উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি সতর্ক হবে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি আস্থা বাড়াবে। এছাড়াও, এই বক্তব্য উত্তর কোরিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্ত করবে।
উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তি বিশ্বের সামনে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আসছে। এই চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বের দেশগুলি উত্তর কোরিয়ার সামরিক শক্তির প্রতি সতর্ক হবে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন



