জার্মানি রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাইবার হামলা ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আনার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ অভিযোগের পর্যাপ্ত প্রমাণ পেয়েছে তারা।
জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ২০২৪ সালের আগস্টে জার্মান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের ওপর সাইবার হামলা করেছে। এছাড়াও, জার্মানির ফেডারেল নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার ও দেশ অস্থিতিশীলতার চেষ্টাও করেছে রাশিয়া।
জার্মানি তার ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জার্মান গোয়েন্দা বিভাগ হামলার পেছনে রাশিয়ার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ-এর সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, মস্কো ‘স্টর্ম ১৫১৬’ নামে অপতথ্য ছড়ানোর মাধ্যমে জার্মানির গত ফেডারেল নির্বাচন ও দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। এই প্রচারণার লক্ষ্যবস্তু ছিলেন গ্রিন পার্টির শীর্ষপ্রার্থী রবার্ট হাবেক ও জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎস।
জার্মানির এই পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ। এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ করতে পারে।
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেছেন, জার্মানি রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায়। কিন্তু রাশিয়াকে তার কর্মকাণ্ডের জন্য মূল্য দিতে হবে। জার্মানি রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায়, কিন্তু রাশিয়াকে তার কর্মকাণ্ডের জন্য মূল্য দিতে হবে।
জার্মানির এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায়। কিন্তু রাশিয়ার কর্মকাণ্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
জার্মানির এই পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ। জার্মানির এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ করতে পারে।



