গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচনী পরিবেশে এমন সহিংস হামলা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত ও ব্যাপক তদন্ত চালিয়ে হামলায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শরীফ ওসমান হাদি জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরে মোটরসাইকেলে আসা হামলাকারীদের গুলিতে আহত হন। পরে রিকশায় করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শক জানিয়েছেন, ওসমান হাদিকে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আনা হয়। সেখানে আইসিইউতে রেখে তার চিকিৎসা চলছে।
সরকারপ্রধানের দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, আহত ওসমান হাদীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া তার চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং হামলার পেছনে কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা থাকলে তা উন্মোচনের জন্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করছে যে, এই হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।
এই ঘটনার পর শরীফ ওসমান হাদির অবস্থা স্থিতিশীল। তার চিকিৎসা চলছে এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।



