মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট দল জেফ্রি এপস্টাইনের বাড়ি থেকে নতুন কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। এই ছবিগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন ধনী ও শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হাউস ওভারসাইট কমিটির সদস্যরা ১৯টি ছবি প্রকাশ করেছেন। এই ছবিগুলোতে ট্রাম্প, তার প্রাক্তন উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, প্রাক্তন ট্রেজারি সেক্রেটারি ল্যারি সামার্স, বিলিয়নেয়ার বিজনেসম্যান বিল গেটস এবং চলচ্চিত্র পরিচালক উডি অ্যালেন রয়েছেন।
এই ছবিগুলো প্রকাশের মাধ্যমে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে এপস্টাইনের বিষয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ করছেন। তারা বলছেন, এই ছবিগুলো এপস্টাইনের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের বিষয়ে আরও প্রশ্ন তুলেছে।
একটি ছবিতে ট্রাম্পকে তিনজন তরুণীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে, যাদের মধ্যে একজনের কোমরে তার হাত রয়েছে। এই ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া বলেছেন, এই ছবিগুলো এপস্টাইনের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের বিষয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন। তিনি বলেছেন, এপস্টাইনের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের বিষয়ে সত্য জানার জন্য সমস্ত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।
ট্রাম্প এপস্টাইনের সাথে তার সম্পর্কের বিষয়ে বারবার অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি এপস্টাইনকে শুধুমাত্র একজন প্রতিবেশী হিসেবে চিনতেন এবং তাকে তার মার-আ-লাগো রিসোর্ট থেকে বের করে দিয়েছিলেন।
এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগ করছেন, যখন রিপাবলিকানরা এই অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে অস্বীকার করছেন।
এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ কী হবে তা এখনও অস্পষ্ট। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় প্রভাব ফেলবে।
এপস্টাইনের সাথে ট্রাম্পের সম্পর্কের বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশ হলে ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আনবে।
এই ঘটনার পর মার্কিন জনগণ ট্রাম্পের প্রতি তাদের আস্থা হারিয়েছে। তারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগ করছেন। এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় সংকট তৈরি করেছে।
মার্কিন কংগ্রেস এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগ করছেন। এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আনবে।
এই ঘটনার পর মার্কিন রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে। ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, এই ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় প্রভাব ফেলবে।



