মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসত্ব শেষ হওয়ার পর, সাদা মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছিলেন যে কৃষ্ণাঙ্গদের ধর্মীয় বিশ্বাস পাগলামির কারণ। এই সময়ে, মানসিক হাসপাতালের রোগীদের চিকিত্সার অংশ হিসেবে কাজ করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা শারীরিক শ্রমের কাজ, যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং ধোয়া, সাদা নারীদের তুলনায় বেশি করতে বাধ্য হয়েছিল।
জুডিথ ওয়াইসেনফেল্ডের বই ‘ব্ল্যাক রিলিজিয়ন ইন দ্য ম্যাডহাউস’ এ এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই বইটি মানসিক স্বাস্থ্য এবং বর্ণবাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। বইটিতে একজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি ১৮৭৫ সালে ওয়াশিংটন ডিসির সেন্ট এলিজাবেথস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার চিকিৎসা রেকর্ডে তার প্রাথমিক রোগ নির্ণয় ছাড়া অন্য কোনো তথ্য ছিল না, যতক্ষণ না তিনি ৮০ বছর বয়সী হন। তারপরে, ডাক্তাররা লক্ষ্য করেছিলেন যে তিনি কখনও কখনও তার দূরে থাকা আত্মীয়দের সাথে কথা বলতেন। একবার, তিনি তার প্রাক্তন মালিকের সাথে কথা বলেছিলেন।
এই ঘটনাটি একটি নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে একজন সাদা ডাক্তার এই রোগীর বিশ্বাসকে একটি আদিম আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বর্ণগত নিম্নতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। এই নিবন্ধটি একটি বিস্তৃত দাবির অংশ ছিল, যে কৃষ্ণাঙ্গদের ধর্মীয় বিশ্বাস পাগলামির প্রমাণ।
জুডিথ ওয়াইসেনফেল্ডের বইটি এই বিষয়ে আরও গভীরভাবে আলোচনা করে। তিনি দেখিয়েছেন যে কীভাবে মনোরোগ বিজ্ঞানীরা তাদের তত্ত্বগুলি ব্যবহার করেছিলেন কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি বর্ণবাদী মনোভাবকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য।
এই বইটি আমাদেরকে মানসিক স্বাস্থ্য এবং বর্ণবাদের মধ্যে সম্পর্ক সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের উচিত এই বিষয়ে আরও শিক্ষিত হওয়া এবং কীভাবে আমরা এই সমস্যাগুলি মোকাবেলা করতে পারি তা নিয়ে চিন্তা করা।
আপনি কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্য এবং বর্ণবাদের মধ্যে সম্পর্ক সম্পর্কে চিন্তা করেন? আপনি কীভাবে এই সমস্যাগুলি মোকাবেলা করার জন্য কাজ করতে পারেন?



