বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, কেউ যদি আবার বাংলাদেশে নতুন করে ফ্যাসিজম বা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চান, তাহলে খুব দেরি হবে না যথাযথ জবাব পেয়ে যাবেন।
শফিকুর রহমান শুক্রবার বিকেলে শরিফ ওসমান হাদিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই হত্যাচেষ্টা যারা চালিয়েছে, গুলি যারা চালিয়েছে, তাদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
জামায়াতের আমির বলেন, কাউকে এ ধরনের নোংরামি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের মাটি কারও বাপ–দাদার জমিদারি নয়, এটা ১৮ কোটি মানুষের সম্পদ।
শরিফ ওসমান হাদি শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে হাদিকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর জানিয়েছে।
জামায়াতের আমির বলেন, আমরা শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা কামনা করছি। সে যেন ফিরে এসে মুক্তির লড়াইয়ে আবার রাজপথে আমাদের সবার সঙ্গে শরিক হতে পারে, আল্লাহ তাআলার দরবারে সেই দোয়া করছি। তার অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল। সে এখন জীবন–মৃত্যুর মাঝখানে আছে।
শফিকুর রহমান বলেন, চিকিৎসক ও তাঁর (হাদির) ভাই–বোনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত, বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ। যে কাপুরুষেরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, অবিলম্বে সেই কাপুরুষদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
জামায়াতের আমির বলেন, একটা মেসেজ ভেরি ক্লিয়ার—এই জাতি কোনো গুলিকে পরোয়া করবে না, ইনশা আল্লাহ। আমরা কোনো গুলির তোয়াক্কাও করি না।
এই ঘটনার পর দেশব্যাপী ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
সরকারকে এই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে বিভিন্ন মহল।
এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারকে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে বলে বিভিন্ন মহল দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে আরও দুর্বল করে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরকারকে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে বলে বিভিন্ন মহল দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও ব্যাহত করে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরকারকে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে বলে বিভিন্ন মহল দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সরকারকে এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে বলে বিভিন্ন মহল দাবি জানাচ্ছে।
এই ঘটনা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে দেবে বলে আ



