আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারক ও অভিশংসনকারীদের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা ব্যাংক, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি এবং টেক জায়ান্ট যেমন আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা মৌলিক আর্থিক সেবা এবং প্রতিদিনের কার্যক্রম যেমন অনলাইন শপিং এবং ইমেইল ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এছাড়াও তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
আইসিসি হলো বিশ্বের একমাত্র স্থায়ী যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল, যার ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞা ফেব্রুয়ারি মাসে আরোপ করা হয়েছিল, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশের অংশ।
এই আদেশটি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গালান্টের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পরে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
কানাডিয়ান বিচারক কিমবার্লি প্রোস্ট, যিনি এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু, তিনি বলেছেন যে তার ক্রেডিট কার্ড অবলোকন করা হয়েছে, তার ই-বুকগুলো তার ডিভাইস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে এবং আমাজনের আলেক্সা তার কথা শোনে না।
তিনি বলেছেন, এটি অনিশ্চয়তা, এগুলো ছোট খোঁচার মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এগুলো ধীরে ধীরে জমা হয়।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আইসিসির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে দুর্বল করছে।
এই নিষেধাজ্ঞা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া এখনও অপেক্ষাকৃত নিষ্ক্রিয়, কিন্তু এটি আন্তর্জাতিক আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



