লিবিয়ায় তিনজন বাংলাদেশিকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অপহৃতরা হলেন জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোলাম রব্বানী, আবদুল করিম এবং রুহুল আমিন।
গোলাম রব্বানীর স্ত্রী মোছা. জুথি আক্তার জানান, তার স্বামী ২০১৫ সালে লিবিয়ায় যান এবং ২০২৩ সালে দেশে এসে আবার সেখানে ফিরে যান। জিলথান শহরে রঙের কাজ দেখানোর কথা বলে স্থানীয় একটি বাঙালি চক্র তাকে অপহরণ করে।
অপহৃত আবদুল করিমের স্ত্রী তাসলিমা বিবি বলেন, তার স্বামী দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে লিবিয়ায় আছেন। দেশে প্রায় আট মাস থাকার পর সাত মাস আগে পুনরায় লিবিয়া যান। ৬ ডিসেম্বর রঙের কাজ দেখানোর কথা বলে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে আটকে রেখে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা কিছু টাকা ওই ব্যাংক নম্বরে পাঠাতেও বাধ্য হয়েছেন। গোলাম রব্বানীর স্ত্রী মোছা. জুথি আক্তার জানান, টাকা না দিলে তার স্বামীকে হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছে। স্বামীকে উদ্ধারে ৮ ডিসেম্বর প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ডের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের মুক্তির জন্য আশাবাদী। তারা আশা করছেন যে সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের মুক্তির জন্য আশাবাদী। তারা আশা করছেন যে সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের মুক্তির জন্য আশাবাদী। তারা আশা করছেন যে সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
অপহৃতদের পরিবারের সদস্যরা তাদের মুক্তির জন্য আশাবাদী। তারা আশা করছেন যে সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় প্রবাসীকল্যাণের ওয়েজ আর্নার্স বোর্ড এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অপহৃতদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছ



