চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর জন্য বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা তিনটি স্তরে কাজ করছে। প্রথম দল পরিকল্পনা করে, দ্বিতীয় দল সরাসরি হামলা চালায় এবং তৃতীয় দল ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকে। এই তিনটি দল মিলে চট্টগ্রামে অপরাধ কার্যক্রম চালাচ্ছে।
সাজ্জাদ আলী বিদেশে বসে নির্দেশনা দিচ্ছেন। তার অনুসারীরা তার নির্দেশে কাজ করছে। গত ৪ ডিসেম্বর ইফতেখার ইবনে ইসহাক নামের এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশ এই তথ্য জানতে পারে।
সাজ্জাদ আলী দীর্ঘ দুই দশক ধরে দেশের বাইরে থেকেই নগর ও জেলার সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি ১৯৯৯ সালে কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খান খুনের পর অপরাধজগতে পরিচিত হন। মামলায় সাক্ষ্য না পাওয়ায় খালাস পেলেও নগরের অপরাধজগতে তাঁকে নিয়েই শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়।
সাজ্জাদ আলীর বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী রয়েছে। ছোট সাজ্জাদ কারাগারে যাওয়ার পর নেতৃত্ব আসে ১৫ মামলার আসামি মোহাম্মদ রায়হান ও মোবারক হোসেন ওরফে ইমনের হাতে। দলে আরও রয়েছেন খোরশেদ, ভাতিজা মোহাম্মদ, নাজিম উদ্দিন, ববি আলম, কামাল, হাসান, নুরুল হক, বোরহান, মবিন, কাদের, তপু, আজম, মনির, তুষার, তুহিন, সোহেল, ছালেক ও এরশাদ—যাঁদের অধিকাংশই অস্ত্র চালনায় বিশেষ দক্ষ।
বিদেশ থেকে ফোনে নিয়মিত নির্দেশনা পাঠান সাজ্জাদ। কর্মীদের ভিড়ে মিশে ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে করা হয় হামলা। পুলিশ এই সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আদালত পরবর্তী পরিস্থিতি জানানো হবে।
এই সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। আদালত পরবর্তী পরিস্থিতি জানানো হবে। সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনে কাজ করছে। জনগণকে নিরাপদ রাখার জন্য সরকার সকল ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকারের পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। জনগণকে নিরাপদ রাখার জন্য সরকার সকল ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
সন্ত্রাসবাদ দমনে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনগণকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে। সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকার ও জনগণের সমন্বয় প্রয়োজন। সন্ত্রাসবাদ দমনে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।



