28 C
Dhaka
Sunday, May 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন কমিশনের নির্দেশ: জনসভার ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানাতে হবে

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ: জনসভার ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানাতে হবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থীদের জনসভার কথা ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানাতে হবে। নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা নিয়ে ইসির জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে নির্বাচনি প্রচারণা কর্মসূচির প্রস্তাব দিতে হবে।

একই স্থানে ও একই সময়ে একাধিক দল বা প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারণার কর্মসূচির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সমন্বয় করবে। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কোনো প্রার্থী জনসভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা পূর্বে জনসভার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

পুলিশ উক্ত স্থানে চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড টাঙ্গানো যাবে না।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এর কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন তথা বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না। প্রজ্ঞাপনে প্রচারসামগ্রীর বিষয় বলা হয়, সংসদীয় আসনের প্রত্যেক ইউনিয়ন বা পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে ওয়ার্ড প্রতি একটি অথবা সমগ্র নির্বাচনি এলাকায় ২০টি, যা অধিক হয়, এর অতিরিক্ত বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।

কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো নির্বাচনি এলাকার একক কোনো জনসভায় একইসঙ্গে টির অধিক মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সাধারণ প্রচারণার জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই বিধি প্রযোজ্য হবে না।

নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণার কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করতে হবে। এটি নিশ্চিত করবে যে প্রচারণা শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হয় এবং কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দেয় না।

এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণার সামগ্রী ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং অন্য প্রার্থীর অধিকার সমুন্নত রাখতে হবে। এটি নিশ্চিত করবে যে নির্বাচন ন্যায্য ও স্বচ্ছ হয়।

নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণার কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে এবং কোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত হতে পারবেন না। এটি নিশ্চিত করবে যে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হয় এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত থাকে।

এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীরা তাদের প্রচারণার কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে হবে। এটি নিশ্চিত করবে যে নির্বাচন ন্যায্য ও স্বচ্ছ হয় এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত থাকে।

নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রার্থীরা তাদের

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments