দিনাজপুর জেলায় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেখানে ভুয়া যক্ষ্মারোগী তৈরি ও কফের নমুনা জালিয়াতি করা হয়। ওষুধ বিতরণেও আছে অনিয়ম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো দিনাজপুর জেলার সিভিল সার্জনের প্রতিবেদনে এই অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।
গত বুধবার দিনাজপুরের সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালককে এ প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। ১ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে ব্র্যাকের যক্ষ্মানির্ণয় কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালায়। আদালত ব্র্যাকের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জেলা ব্যবস্থাপক মো. রেজাউল কবিরকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
সিভিল সার্জনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের পর থেকে দিনাজপুরের সব উপজেলা ও মাঠপর্যায়ে ব্র্যাক নিজ উদ্যোগে সব ধরনের সেবা বন্ধ রেখেছে। দিনাজপুরের সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস বলেন, ব্র্যাকের স্থানীয় দু-একজন কর্মকর্তা ও কর্মী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তাঁর মনে হয় না ব্র্যাকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে জড়িত বা তাঁরা এসব বিষয়ে অবগত আছেন।
যে মানুষের যক্ষ্মা নেই, তাঁকে যক্ষ্মারোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা। এই কাজ করতে গিয়ে কফের নমুনা জালিয়াতি করা হয়। অর্থাৎ যক্ষ্মা আছে, এমন রোগীর কফ সুস্থ মানুষের কফের সঙ্গে মিশিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং সুস্থ মানুষকে যক্ষ্মারোগী হিসেবে তালিকাবদ্ধ করা হয়। সিভিল সার্জন আসিফ ফেরদৌস বলেন, রোগীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য এটা করা হচ্ছে। যাঁর যক্ষ্মা হয়নি, তাঁকে যক্ষ্মার ওষুধ খাওয়ানো হয়। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। এটি অপরাধ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় ব্র্যাক ভবনের বিভিন্ন তলা থেকে পরিত্যক্ত ওষুধ ও ওষুধের পাত্র উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে। সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস বলেন, তিনি এই বিষয়ে তদন্ত করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস বলেন, তিনি এই বিষয়ে তদন্ত করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস বলেন, তিনি এই বিষয়ে তদন্ত করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিভিল সার্জন মো. আসিফ ফেরদৌস বলেন, তিনি এই বিষয়ে তদন্ত করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যব



