ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কর্মচারীরা সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে মেট্রোরেল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।
ডিএমটিসিএলের নিয়মিত কর্মচারীরা ৪ ডিসেম্বর থেকে আন্দোলন করে আসছেন। তারা ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সার্ভিস রুল প্রণয়নের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়েও দাবি পূরণ না হলে ১২ ডিসেম্বর থেকে তারা সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার কর্মচারীদের সঙ্গে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। ফলে শুক্রবার মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্পষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
রাতের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মচারীরা জানিয়েছেন, সার্ভিস রুলস প্রণয়ন না হওয়ায় শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে তারা সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করবেন এবং যাত্রীসেবা থেকে বিরত থাকবেন। তাদের দাবি, চাকরিবিধি প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন ডিএমটিসিএলের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলবে।
ডিএমটিসিএলে ৯০০-র বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। এতদিনেও তাদের জন্য কোনো স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা অনুমোদিত হয়নি। ফলে তারা ছুটি, সিপিএফ, গ্র্যাচুইটি, ওভারটাইম সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে মেট্রোরেল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে, কিন্তু কর্মচারীরা সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতি কীভাবে সমাধান হবে তা এখনও অস্পষ্ট।
ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কর্মচারীরা সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে মেট্রোরেল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। এই পরিস্থিতি কীভাবে সমাধান হবে তা এখনও অস্পষ্ট।



