বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় ‘গণগ্রেপ্তার’ হওয়া ৯ নারী, শিশুসহ ৯৪ জন বম নাগরিকের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে নাগরিক সমাজ। তাঁরা বলেন, কেএনএফ দমনের নামে সমগ্র বম জনগোষ্ঠীর ওপর ‘কালেক্টিভ পানিশমেন্ট’ বা সমষ্টিগত শাস্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের এপ্রিলে ব্যাংক ডাকাতির পর যৌথবাহিনীর অভিযানে শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশুকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই, কিন্তু জামিন প্রক্রিয়া নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। উচ্চ আদালত জামিন দিলেও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে তা স্থগিত করা হচ্ছে।
বিনা বিচারে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষার্থী টিনা বম (১৭), পারঠা জোয়াল বম (১৮) এবং অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আকিম বম (১৫)। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও আকিম কোনো আইনি সুবিধা পায়নি। এ ছাড়া এনজিওকর্মী লাল ত্লানহ কিম বম, শিক্ষক কুছয় খুমি এবং জুমচাষি নেম পেনহ বমও আটক রয়েছেন। কারাবন্দী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেনি, চিকিৎসা সেবায়ও অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।
নাগরিক সমাজ বলেছে, স্বৈরাচারী শাসনামলে শুরু হওয়া এই ‘গণশাস্তি’ জুলাই অভ্যুত্থানের পরও অন্তর্বর্তী সরকার বন্ধ করেনি। এই নীতি প্রত্যাহার করে অবিলম্বে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। এ ছাড়া অভিযানকালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে।
নাগরিক সমাজের এই বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন নৃবিজ্ঞানী রেহনুমা আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা ও গীতি আরা নাসরীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আ-আল মামুন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খাদিজা মিতু ও মাইদুল ইসলাম, রাজনীতিবিদ মোশরেফা মিশু, সংগীতশিল্পী সায়ান, সাংবাদিক সায়দিয়া গুলরুখ, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি নীতি চাকমা, গবেষক মীর হুযাইফা আল মামদূহ, নারীপক্ষের ওয়ারদা আশরাফসহ শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিল্পী ও মানবাধিকার কর্মীরা।
এই ঘটনায় নাগরিক সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত তীব্র। তাঁরা বলেন, এই ধরনের গণশাস্তি বন্ধ করা উচিত এবং আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত। তাঁরা আরও বলেন, ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।
এই ঘটনার পর থেকে নাগরিক সমাজ অনেক আন্দোলন করেছে। তাঁরা বলেন, এই ধরনের গণশাস্তি বন্ধ করা উচিত এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। তাঁরা আরও বলেন, সরকারকে এই ধরনের গণশাস্তি বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই ঘটনায় নাগরিক সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত তীব্র। তাঁরা বলেন, এই ধরনের গণশাস্তি বন্ধ করা উচিত এবং আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত। তাঁরা আরও বলেন, ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা



