বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমান বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন কঠিন হবে। তিনি বিএনপির নেতা ও কর্মীদের নির্বাচনকে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে, অন্যথায় দেশের অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মশালার পঞ্চম দিনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপির নেতা ও কর্মীরা ইতিমধ্যেই ফ্যাসিবাদীদের ষড়যন্ত্র ও ১/১১ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, এবং তারা ভবিষ্যতেও গণতন্ত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে সক্ষম হবেন।
তারিক রহমান বলেন, যদি বিএনপির নেতা ও কর্মীরা শুধুমাত্র কে ক্ষমতায় থাকবে এবং কীভাবে কাউকে ‘সাইজ’ করা যায় সে নিয়ে ভাবেন, তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে না। তিনি বলেন, বর্তমানে শুধুমাত্র শব্দ ও বিভ্রান্তি চলছে, অনেক কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু তার কোনো মানে হচ্ছে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি একমাত্র দল যার দেশের উন্নয়নের জন্য স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। অন্য দলগুলো মিথ্যা প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তাহলে এটি কোনো দলীয় সরকার হবে না, বরং জনগণের সরকার হবে। এটি তাদের জন্য হবে যারা বিএনপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন, এবং যারা দিয়েনি। সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে, আমরা কোনো ব্যক্তির জন্য কাজ করব না। এটি আমাদের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
তারিক রহমান বলেন, বিএনপি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। তারা পরিকল্পনা করছে এবং তা বাস্তবায়ন করতে চায়। অন্য দলগুলো এখনও পরিকল্পনা প্রকাশ করেনি। কিছুদিন পরে তারা কিছু পরিকল্পনা প্রকাশ করবে এবং বলবে যে তাদেরও পরিকল্পনা আছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। তারা হঠাৎ করে পরিকল্পনা ঘোষণা করেনি। তিনি পরিবার কার্ড প্রস্তাবকেও উল্লেখ করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো আগামী নির্বাচনের জন্য তাদের পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে কাজ করছে। দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে উত্সাহ ও আশার সঞ্চার করছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো আগামী দিনগুলোতে তাদের পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে কাজ করবে। দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে উত্সাহ ও আশার সঞ্চার করবে।



