বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) নেতৃবৃন্দ চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছে ম্যান-মেড ফাইবার, রাসায়নিক ও নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে। ঢাকায় বিজিএমইএ অফিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই আহ্বান জানানো হয়।
বিশ্বের বৃহত্তম গার্মেন্ট রফতানিকারক দেশ চীন বর্তমানে আন্তর্জাতিক গার্মেন্ট বাজারের ৩০ শতাংশেরও বেশি অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর অংশ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। চীন ম্যান-মেড ফাইবার পণ্যের বৃহত্তম সরবরাহকারী এবং খরচ কমাতে অন্যান্য দেশে উৎপাদনের বিকল্প স্থান অন্বেষণ করছে।
বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ইনামুল হক খান বলেছেন, বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, অগ্রণী যন্ত্রপাতি এবং ম্যান-মেড ফাইবার-ভিত্তিক উৎপাদনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের ম্যান-মেড ফাইবার টেক্সটাইল, রাসায়নিক এবং নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন, যা পোশাক রফতানিকারীদের খরচ কমাতে এবং সময়কাল কমাতে সাহায্য করবে।
বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন এবং জানুয়ারিতে বেটটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের সমর্থনে একটি সমন্বয় সভার প্রস্তাব করেছেন। তিনি শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে চুয়াং কং গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ বিজনেসের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের প্রস্তাব করেছেন।
সামাদ উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ চীন থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কাপড় আমদানি করে, যার ফলে কখনও কখনও ব্যবসায়িক বিরোধ দেখা দেয়। তিনি বলেছেন, একটি চীনা আইন সংস্থা থাকলে বাণিজ্যিক সমস্যা সমাধানের জন্য এটি উভয় পক্ষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য মঞ্চ প্রদান করবে।
চীনা প্রতিনিধিদল নবায়নযোগ্য শক্তিতে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এই সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প বিশ্ববাজারে একটি উল্লেখযোগ্য অংশীদার। এই শিল্পে চীনা বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই সমঝোতা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুসংহত হবে এবং উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই সমঝোতা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই সমঝোতার মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পে চ



