পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে একটি আঞ্চলিক জোট গঠনের জন্য উন্মুক্ত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির হুসেন আন্দ্রাবি এই ইঙ্গিত দেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন একদিন আগে বলেছিলেন, ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে একটি আঞ্চলিক জোটে যোগদান করা বাংলাদেশের পক্ষে ‘কৌশলগতভাবে সম্ভব’।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার গত সপ্তাহে বলেছিলেন, বাংলাদেশ, চীন এবং পাকিস্তানকে নিয়ে একটি নতুন ‘ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ’ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগটি এই অঞ্চলের অভ্যন্তরে ও বাইরের দেশগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।
গত জুন মাসে তিন দেশের প্রতিনিদিদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করেছিল চীন। সেখানে বেইজিংয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান ওয়েইডং, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব রুহুল আলম সিদ্দিক এবং পাকিস্তানের পক্ষে অতিরিক্ত সচিব ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
একটি যৌথ বিবৃতি অনুসারে, তিন পক্ষ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে এবং ‘ভালো প্রতিবেশীসুলভতা, সমতা ও পারস্পরিক বিশ্বাস, উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তি, সাধারণ উন্নয়ন ও জয়-জয় সহযোগিতা’ নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
দেশগুলো বলেছে, এই কাঠামোটি ‘প্রকৃত বহুপাক্ষিকতা এবং উন্মুক্ত আঞ্চলিকতায়’ নিহিত এবং ‘কোনো তৃতীয় পক্ষের দিকে নির্দেশিত নয়’।
চীন ও পাকিস্তান ‘সর্বকালীন কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার’। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে।
এই উন্নয়নগুলো এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সহযোগিতা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তবে, এই প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জও থাকবে। তিন দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই উন্নয়নগুলো এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সহযোগিতা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তবে, এই প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জও থাকবে। তিন দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই উন্নয়নগুলো এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সহযোগিতা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তবে, এই প্রক্রিয়ায় চ্যালেঞ্জও থাকবে। তিন দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।



