রাজশাহীতে একটি খাদে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশুকে ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। রাজশাহীর তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাইমা খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান জানান, শিশুটিকে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
শিশুটির মৃত্যু হয়েছে কিনা তা চিকিৎসা পরীক্ষার পরেই নিশ্চিত হবে। আগের দিন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অপারেশনস ডাইরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে উদ্ধার করার জন্য আটটি ইউনিট নিয়োজিত ছিল।
একটি পারালেল পিট খনন করা হয়েছিল, কিন্তু শিশুটি যে খাদে পড়েছিল তা পরে আশেপাশের মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী বিভাগের উপ-মহাপরিচালক মনজিল হক জানিয়েছিলেন, পারালেল পিট খনন করা হলেও শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, কারণ খাদের ৮-১০ ফুট দূরে একটি পুকুর ছিল।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের মতে, খাদের অবস্থান চিহ্নিত করার জন্য একটি ছয় ইঞ্চি ব্যাসার্ধের প্লাস্টিক পাইপ প্রায় ৩৫ ফুট নিচে রাখা হয়েছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই এলাকায় অনেকগুলি পরিত্যক্ত খাদ খোলা রয়েছে। এই খাদগুলি টিউবওয়েল স্থাপনের সময় ভূগর্ভস্থ জলের স্তর পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটি বুধবার দুপুর ১টার দিকে পাঁচানদর ইউনিয়নের কোয়েল হাট পূর্ব পাড়া গ্রামে খাদে পড়ে যায়। তারপর থেকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়েছিল, উদ্ধার অভিযানের খবরের অপেক্ষায়।
রাত ৯টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এই উদ্ধার অভিযানে অনেক স্থানীয় ও দর্শক অংশগ্রহণ করেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় সম্প্রদায় অনেক উদ্বিগ্ন ছিল।
এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সম্প্রদায়ের সচেতনতা বৃদ্ধি করা দরকার। পরিত্যক্ত খাদগুলি সঠিকভাবে নিরাপদ করা উচিত। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সম্প্রদায়ের সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
এই ঘটনা আমাদেরকে সচেতন করে যে, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমাদের সম্প্রদায়ে এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
শেষ পর্যন্ত, শিশুটির উদ্ধার আমাদেরকে আশার আলো দেখিয়েছে। এই ঘটনা আমাদেরকে সচেতন করে যে, সম্প্রদায়ের সকলকে একসাথে কাজ করে আমরা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি।



