সুনজয় কাপুরের মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই বিতর্কের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় নতুন একটি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
সুনজয় কাপুরের সন্তানদের আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি বম্বে হাইকোর্টে বলেছেন, সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির ডিজিটাল ট্রেইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৩০ হাজার কোটি টাকা।
আদালতের কাছে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রিয়া কাপুরের মূল সাক্ষী দীনেশ আগরওয়াল একজন অনুষ্ঠাতাকে দুটি ইমেইল পাঠিয়েছিলেন। প্রথম ইমেইলে কাপুর ট্রাস্ট ডিডের একটি অনুলিপি ছিল, যা মুছে ফেলা হয়েছে। দ্বিতীয় ইমেইলে সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির একটি স্ক্যান কপি ছিল। কিন্তু এখন এই ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট অদৃশ্য হয়ে গেছে।
এই ঘটনায় সুনজয় কাপুরের সন্তানদের আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি বলেছেন, ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট মুছে ফেলা যায় না ইমেইল মুছে ফেলার আগে। এই ঘটনায় সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই ঘটনার পর প্রিয়া কাপুরের সাক্ষী দীনেশ আগরওয়াল এবং অন্য একজন সাক্ষী নিতিন শর্মা উভয়েই দ্রুত পদোন্নতি পেয়েছেন। প্রিয়া কাপুর নিজেও দ্রুত কোম্পানির পরিচালক পদে ফিরে এসেছেন।
আইনজীবীরা বলছেন, সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছেন, ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, প্রিয়া কাপুরের সাক্ষীদের দ্রুত পদোন্নতি এবং প্রিয়া কাপুরের দ্রুত পরিচালক পদে ফিরে আসা একটি সম্পর্কযুক্ত ঘটনা।
এই ঘটনায় আদালত সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আদালত এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে।
এই ঘটনায় সুনজয় কাপুরের সন্তানদের আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি বলেছেন, সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তিনি বলেছেন, ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, প্রিয়া কাপুরের সাক্ষীদের দ্রুত পদোন্নতি এবং প্রিয়া কাপুরের দ্রুত পরিচালক পদে ফিরে আসা একটি সম্পর্কযুক্ত ঘটনা।
এই ঘটনায় আদালত সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আদালত এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং সুনজয় কাপুরের অস্থাবর সম্পত্তির বৈধতা নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেবে।



