ইসরায়েলি মন্ত্রী আমিচাই চিকলি সিরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন। গত সোমবার দামেস্কে সিরিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এক সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
এই কুচকাওয়াজে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সিরিয়ান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কুচকাওয়াজের এক পর্যায়ে সেনারা স্লোগান দেন, “গাজা, গাজা, গাজা, আমাদের স্লোগান, রাত-দিন, বোমা ও ধ্বংস”।
ইসরায়েলি মন্ত্রী চিকলি বুধবার এক্স-এ দীর্ঘ বার্তায় সিরিয়াকে ‘জিহাদি সন্ত্রাসের’ এর অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। তিনি লিখেছেন, “ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তে এখন পূর্ণমাত্রার ইসলামি জিহাদি খেলাফত বসে আছে”।
ইসরায়েলের আর্মি রেডিও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, দেশটির সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ফুটেজটি নিয়ে বৈঠক করেছেন। প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ১৯৬৭ সাল থেকে সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে রেখেছে ইসরায়েল।
সিরিয়ান গণমাধ্যম এনাব বালাদির তথ্যানুযায়ী, স্লোগানের কিছু অংশ আলজেরিয়ার সেনাবাহিনীও তাদের কুচকাওয়াজ ও প্রশিক্ষণে ব্যবহার করে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারাও এক সামরিক কুচকাওয়াজে স্লোগানটি ব্যবহার করেছিল।
আসাদ সরকারের পতনের পর দক্ষিণ সিরিয়ায় ইসরায়েলের দখলকৃত এলাকা আরও সম্প্রসারিত করার চেষ্টায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি মন্ত্রীর মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিরিয়া এবং ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংঘর্ষ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকা। সংঘর্ষ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখা এবং প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করা।



