যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়া সরকারের আমলে সবচেয়ে আলোচিত দুর্নীতি, তদবির ও ঘুষের অভিযোগ যাঁর নামে উঠেছে, তিনি হলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মনজুর মোর্শেদ মামুন বলেন, সচিবালয়ে সজীব ভূঁইয়া সম্পর্কে ‘মিস্টার টেন পার্সেন্ট’ নামে একটি প্রচলিত অভিযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, টেন পার্সেন্ট কমিশন ছাড়া কোনো কাজ হয় না এমন ধারণা সচিবালয়ের বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে আছে।
রাজধানীর পল্টনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মনজুর মোর্শেদ মামুন এই অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, সজীব ভূঁইয়ার ঘোষিত ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে তাঁর জীবনযাত্রার ব্যয়-ব্যবহার সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি বলেন, পদত্যাগের সময় তাঁর ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার টাকা ছিল, এখনও সেই হিসাব অপরিবর্তিত।
মনজুর মোর্শেদ মামুন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অভিযোগের মুখে থাকা উপদেষ্টারা নির্বাচনে অংশ নিলে নির্বাচন কলুষিত হতে পারে। তাঁর দাবি, বিপুল পরিমাণ টাকা-পয়সা ও ক্ষমতার প্রভাব নির্বাচনকে অসম করে দিতে পারে। এ কারণে তিনি সরকারকে আগামী নির্বাচনে তাঁদের অংশগ্রহণ সীমিত রাখার আহ্বান জানান।
মনজুর মোর্শেদ মামুন বলেন, যুব অধিকার পরিষদ দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছে এবং সংগঠনে দুর্নীতিবাজ বা অনৈতিক ব্যক্তির স্থান নেই। তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাগুলোতে তাঁদের সংগঠনের নেতাকর্মীরা বারবার ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাই দুর্নীতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য থেকে তাঁরা সরে দাঁড়াবেন না।
মনজুর মোর্শেদ মামুন জানান, সরকার বা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত না করলে প্রেস ক্লাবের সামনে ‘জনতার আদালত’ গঠন করে তাঁদের কাছে থাকা তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হবে।



