নির্বাচন কমিশন আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে। নির্বাচন কমিশন সোমবার প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, যাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোঃ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিটি প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রতিটি উপজেলা বা থানায় কমপক্ষে দুজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করবে, যাতে নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ করা যায়।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করতে সাহায্য করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে সাহায্য করবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে সাহায্য করবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ করার জন্য এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ



