ফেসবুকে বিপন্ন প্রজাতির দেহাংশ বেআইনি ভাবে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বাঘের দাঁত, শার্ক ফিন এবং প্যাঙ্গোলিন স্কেল। এই প্রজাতিগুলির ব্যবসা আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ।
ফেসবুকে একজন চীনা ব্যবহারকারী বাঘের দেহাংশ বিক্রির জন্য একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। এছাড়াও তিনি বাঘের দাঁত এবং হাড় বিক্রির জন্য ছবি পোস্ট করেছেন। আরেকজন ব্যবহারকারী দুটি বাঘের বাচ্চা বিক্রির জন্য একটি বাক্সের ভিতরে রেখেছেন।
একজন বিক্রেতা জানিয়েছেন যে তিনি তার পণ্যগুলি যুক্তরাজ্যে পাঠাতে পারেন। তিনি জানিয়েছেন যে একটি ১০ সেন্টিমিটার লম্বা দাঁতের দাম ২,০০০ চীনা ইউয়ান, যা প্রায় £২১৩। তিনি আরও জানিয়েছেন যে তিনি বাঘের হাড় প্রতি কিলোগ্রামে ৩,৬০০ ইউয়ানে বিক্রি করেন, যা প্রায় £৩৮০।
বিপন্ন প্রজাতির ব্যবসা আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ। যুক্তরাজ্যেও এই ধরনের ব্যবসা বেআইনি। সাইটিস, বিপন্ন প্রজাতির আন্তর্জাতিক ব্যবসার উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখে।
ফেসবুকের মালিক মেটা জানিয়েছে যে তারা বিপন্ন প্রজাতির ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। তারা এই ধরনের সমস্ত পোস্ট অপসারণ করে।
যুক্তরাজ্যে বিপন্ন প্রজাতির আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু ব্রিটিশ কোম্পানিগুলি এখনও শুকনো সি হর্স বিক্রি করছে। এই প্রজাতিটি শুধুমাত্র টেকসই উপায়ে ধরা পড়লেই বিক্রি করা যাবে। কিন্তু বাস্তবে এটি অসম্ভব।
একজন বিক্রেতা শুকনো সি হর্সকে একটি টনিক হিসেবে বিক্রি করছেন যা নতুন মায়ের জন্য উপকারী। তিনি আরও দাবি করছেন যে এটি কাশের জন্য একটি ওষুধ। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এটি প্রমাণিত নয়।
এই ধরনের ব্যবসা বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের বিপন্ন প্রজাতিগুলিকে রক্ষা করার জন্য সচেতন হতে হবে।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিপন্ন প্রজাতির ব্যবসা বন্ধ করার জন্য আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বিপন্ন প্রজাতির সুরক্ষার জন্য আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এই প্রজাতিগুলিকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।



