চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় বিএনপির দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত যুবকের নাম মোহাম্মদ তাহমিদ উল্লাহ। তিনি বয়সে মাত্র ১৯ বছর। তাহমিদ একটি স্থানীয় মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যায় বারোয়ারহাট বাজারের কাছে এই সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের কারণ হয়েছে একটি স্থানীয় বিবাদ। বিবাদটি শুরু হয়েছিল যখন একজন জুনিয়র কর্মী একটি চেয়ারে পা রাখার কারণে। এই ঘটনায় তাহমিদ আহত হন এবং পরে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিএনপির বারোয়ারহাট মিউনিসিপ্যালিটি ইউনিটের সাবেক সভাপতি দিদারুল আলম নিয়াজী বলেছেন, এই ঘটনাটি রাজনৈতিক অনুপ্রেরণামূলক নয়, বরং একটি ব্যক্তিগত বিবাদ থেকে উদ্ভূত। তিনি আরও বলেছেন, তাহমিদ সম্প্রতি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দিয়েছিলেন এবং কয়েকটি স্থানীয় রয়েলি ও মিছিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
নিয়াজী আরও বলেছেন, বিবাদটি শুরু হয়েছিল যখন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুল্লাহ আল জুবায়ের একটি চেয়ারে পা রাখেন। এই ঘটনায় সাবেক যুগ্ম সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম লিটন তাকে তিরস্কার করেন, যা একটি বিবাদে পরিণত হয়। পরে এই বিবাদটি আরও বাড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত তাহমিদ খুন হন।
নিয়াজী এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ এখনও এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনাটি চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
এই ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিএনপি এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনাটি চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। পুলিশ এখনও এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।



