বাংলাদেশ তার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের কাঠামোগত অস্পষ্টতা, বিভক্ত প্রশাসন এবং স্থবির আইনি সংস্কারের পর, দেশটি প্রকৃত বিচারিক স্বায়ত্তশাসনের দিকে একটি সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের প্রচার, যা প্রথমবারের মতো বিচার বিভাগের জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক শাখা প্রতিষ্ঠা করেছে, ব্যাপকভাবে একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এটিকে ‘একটি নতুন যুগের শুরু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক আদর্শকে প্রতিষ্ঠানিক বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে। নিজস্ব নিয়োগ, প্রশাসন এবং শাস্তি পরিচালনা করার জন্য একটি বিশেষ সচিবালয় তৈরি করে, বিচার বিভাগটি নির্বাহী প্রভাব থেকে মুক্ত কাজ করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও প্রতীকী তাৎপর্য উল্লেখযোগ্য, এই অগ্রগতিকে স্থায়ী, কার্যকর স্বাধীনতায় রূপান্তর করার চ্যালেঞ্জ এখনই রয়েছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ১৯৯৯ সালের মাসদার হোসেন রায়ের কথা উল্লেখ করা যায়। এই রায়ে আপিল বিভাগ নির্বাহী নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটানোর জন্য একটি স্বাধীন বিচারিক পরিষেবার রূপরেখা তুলে ধরে। তবে, এই দৃষ্টান্ত বাস্তবায়নে দীর্ঘ সময় লেগেছে। এখন, সচিবালয় অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য এই অধ্যাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, তবে এটি শুধুমাত্র একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। এই অধ্যাদেশকে কার্যকর করার জন্য একটি বিস্তারিত কাঠামো, নিয়োগ, স্থানান্তর, পদোন্নতি, ছুটি এবং কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য স্পষ্ট নিয়ম, নিরাপদ বাজেট বরাদ্দ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিদ্যমান রেজিস্ট্রার কর্মীদের সতর্কভাবে একীভূত করা প্রয়োজন। এই ব্যবস্থাগুলি ছাড়া, সচিবালয়টি নামমাত্র স্বাধীন হয়ে যেতে পারে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ায় সকল স্টেকহোল্ডারদের সম্পৃক্ত করা এবং তাদের মতামত বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপগুলি গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সকল স্টেকহোল্ডারদের সম্পৃক্ত করা এবং তাদের মতামত বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপগুলি গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সকল স্টেকহোল্ডারদের সম্পৃক্ত করা এবং তাদের মতামত বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতি অব



