প্রযুক্তি জগতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। হারনেস, একটি আই ডেভঅপস টুল, ২৪০ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। এই তহবিল সংগ্রহের ফলে কোম্পানিটির মূল্যায়ন ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
হারনেস কোম্পানিটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর প্রতিষ্ঠাতা জ্যোতি বানসাল একজন সিরিয়াল উদ্যোক্তা। তিনি আগে অ্যাপডাইনামিক্স কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সিসকোকে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছিলেন।
হারনেস কোম্পানিটি একটি সফটওয়্যার ডেলিভারি নলেজ গ্রাফ ব্যবহার করে। এই গ্রাফটি কোম্পানিটিকে তার গ্রাহকদের সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝার দেয়। এই বোঝার সাহায্যে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের জন্য সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় করতে পারে।
হারনেস কোম্পানিটির লক্ষ্য হল সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটিকে স্বয়ংক্রিয় করা। এই প্রক্রিয়াটি বর্তমানে খুব জটিল এবং সময়সাপেক্ষ। হারনেস কোম্পানিটি এই প্রক্রিয়াটিকে সহজ করতে চায়।
হারনেস কোম্পানিটির সফটওয়্যার ডেলিভারি নলেজ গ্রাফটি একটি অনন্য প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিটি কোম্পানিটিকে তার গ্রাহকদের সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝার দেয়। এই বোঝার সাহায্যে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের জন্য সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় করতে পারে।
হারনেস কোম্পানিটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা হল সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বয়ংক্রিয় করা। কোম্পানিটি এই লক্ষ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোম্পানিটি নতুন প্রযুক্তি বিকাশ করছে।
হারনেস কোম্পানিটির সাফল্য প্রযুক্তি জগতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কোম্পানিটির সফটওয়্যার ডেলিভারি নলেজ গ্রাফটি একটি অনন্য প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিটি কোম্পানিটিকে তার গ্রাহকদের সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝার দেয়। এই বোঝার সাহায্যে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের জন্য সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় করতে পারে।
হারনেস কোম্পানিটির সাফল্য প্রযুক্তি জগতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কোম্পানিটির সফটওয়্যার ডেলিভারি নলেজ গ্রাফটি একটি অনন্য প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিটি কোম্পানিটিকে তার গ্রাহকদের সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝার দেয়। এই বোঝার সাহায্যে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের জন্য সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় করতে পারে।
হারনেস কোম্পানিটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা হল সফটওয়্যার ডেলিভারি প্রক্রিয়াটিকে আরও স্বয়ংক্রিয় করা। কোম্পানিটি এই লক্ষ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোম্পানিটি নতুন প্রযুক্তি বিকাশ করছে।



