পাকিস্তানের একটি সংবাদ সম্মেলনে একজন নারী সাংবাদিককে চোখ মারার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, জিও নিউজ উর্দুর সাংবাদিক আবসা কোমাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে প্রশ্ন করছিলেন। তিনি জানতে চান, ইমরান খানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ ও ‘দিল্লির হাতের পুতুল’ বলার বিষয়টি আগের অভিযোগগুলো থেকে কতটা ভিন্ন এবং ভবিষ্যতে আরও অভিযোগ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না।
এই প্রশ্নের জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, ‘চতুর্থ হিসেবে আপনি আরও একটি পয়েন্ট যোগ করতে পারেন, তিনি একজন মানসিক রোগী।’ এই মন্তব্যের পরই তিনি স্মিত হেসে সাংবাদিক কোমালকে চোখ মারেন। এই ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এবং এখন দেশের বড় আলোচনার বিষয়।
একজন নেটিজেনের মন্তব্য, ‘ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা কীভাবে এমন কাজ করতে পারেন—এটাই দেশের বর্তমান বাস্তবতা।’
এই ঘটনার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। অনেকে এই ঘটনাকে সাংবাদিকদের প্রতি সরকারের মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ এই ঘটনাকে একটি একক ঘটনা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের সাংবাদিক সমাজ ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক দৃশ্যপটও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রাখছে। তারা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের আইনজীবী সমাজও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারের কাছে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের সরকার একটি বিবৃতি জারি করেছে। এই বিবৃতিতে সরকার এই ঘটনার তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়াও, সরকার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের সাংবাদিক সমাজ সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারের কাছে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের রাজনৈতিক দৃশ্যপট উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিরোধী দলগুলো সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রাখছে। তারা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারের কাছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা সরকারের কাছে এই ঘটনার তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে। তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত



