রংপুরের তারাগঞ্জে এক মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। বৃহস্পতিবার এক মানববন্ধনে তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়।
তারাগঞ্জের রহিমাপুর গ্রামে শনিবার রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুর্বণা রায় হত্যার শিকার হন। পরের দিন সকালে প্রতিবেশীরা তাঁদের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান। এ ঘটনায় তাঁদের বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় দেশ স্বাধীন করতে জীবন বাজি রেখেছিলেন, অথচ শেষ বয়সে এমন নৃশংস পরিণতি মেনে নেওয়া যায় না। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী বলেন, বিজয়ের মাসে একজন মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীকে নিজ বাড়ির ভেতর হত্যা করা দেশের জন্য চরম লজ্জার। তিনি হত্যাকাণ্ডের চার দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসনের কোনো কার্যকর ভূমিকা না থাকায় তারা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
এদিকে, পুলিশ প্রশাসন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো কোনো গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তারা হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে চেষ্টা করছে।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও অন্যান্য সংগঠন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় জনগণ বিচলিত। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
পরিশেষে, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও অন্যান্য সংগঠন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, তারা সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।



