ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলের নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো মাসব্যাপী লুকিয়ে থাকার পর নরওয়েতে তার নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করতে এসেছেন। তিনি নরওয়ের রাজধানী ওসলোতে একটি হোটেলের ব্যালকনিতে হাজির হয়েছিলেন। এটি ছিল তার প্রথম সর্বজনীন উপস্থিতি জানুয়ারি মাসের পর থেকে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদো ৫৮ বছর বয়সী। তিনি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং ভেনেজুয়েলার সরকারের হুমকি সত্ত্বেও নরওয়ে যাত্রা করেছেন। তাকে পালিয়ে যাওয়া বলে ঘোষণা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
ওসলোতে মাচাদোর আগমন অত্যন্ত মার্জিত ছিল। তিনি হোটেলের ব্যালকনিতে উপস্থিত হয়ে তার সমর্থকদের সাথে মিলিত হয়েছেন। তারা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। মাচাদো তার সমর্থকদের সাথে গান গেয়েছেন এবং তাদের সাথে কথা বলেছেন।
নোবেল ইনস্টিটিউট মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে এই বছর তার নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করেছে। এটি তার স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রে স্থানান্তরের জন্য তার সংগ্রামের জন্য দেওয়া হয়েছে। বুধবার তার কন্যা আনা কোরিনা সোসা তার মায়ের পক্ষে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন।
মারিয়া কোরিনা মাচাদো প্রায় দুই বছর ধরে তার সন্তানদের দেখেননি। তিনি তাদের নিরাপত্তার জন্য দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি তার সন্তানদের সাথে দেখা করার জন্য নরওয়ে যাত্রা করেছেন।
মারিয়া কোরিনা মাচাদো ভেনেজুয়েলায় ফিরে যাওয়ার পর তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে তিনি দেশে ফিরে যাবেন। তিনি জানেন যে তার ফিরে যাওয়ার সময় তাকে যে ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হবে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর এই সফর ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এটি দেশটির স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রে স্থানান্তরের জন্য তার সংগ্রামকে আরও জোরদার করবে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। এটি তাদের দেশের জন্য আরও ভাল ভবিষ্যতের আশা জাগায়।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সফর ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। এটি দেশটির জনগণের জন্য একটি নতুন আশার সম্ভাবনা তৈরি করবে।
মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের জন্য একটি অনুপ্রেরণা এবং আশার উৎস।



