দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী হেগলিগ তেলক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য একটি অভূতপূর্ব চুক্তির অধীনে প্রবেশ করেছে। এই চুক্তি সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির লক্ষ্য হল দক্ষিণ সুদানের প্রধান আয়ের উৎস হেগলিগ তেলক্ষেত্রকে সুরক্ষিত করা।
সুদানের গৃহযুদ্ধের কারণে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী এই তেলক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রবেশ করেছে। এই চুক্তির ফলে সুদানের সেনাবাহিনী ও দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী উভয়ই এই তেলক্ষেত্র থেকে প্রত্যাহার করবে।
দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান পাউল নাং বলেছেন, তারা একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে এই তেলক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। এই চুক্তিতে সুদানের প্রেসিডেন্ট সালভা কির, সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান ও দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালো অংশগ্রহণ করেছেন।
এই চুক্তির ফলে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এই তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ সুদানের প্রধান আয়ের উৎস। এই চুক্তির ফলে দক্ষিণ সুদানের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে।
সুদানের গৃহযুদ্ধের কারণে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী এই তেলক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রবেশ করেছে। এই চুক্তির ফলে সুদানের সেনাবাহিনী ও দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী উভয়ই এই তেলক্ষেত্র থেকে প্রত্যাহার করবে।
এই চুক্তির ফলে দক্ষিণ সুদানের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। এই তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ সুদানের প্রধান আয়ের উৎস। এই চুক্তির ফলে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান পাউল নাং বলেছেন, তারা একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে এই তেলক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। এই চুক্তিতে সুদানের প্রেসিডেন্ট সালভা কির, সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান ও দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালো অংশগ্রহণ করেছেন।
এই চুক্তির ফলে সুদানের গৃহযুদ্ধের কারণে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী এই তেলক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রবেশ করেছে। এই চুক্তির ফলে সুদানের সেনাবাহিনী ও দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী উভয়ই এই তেলক্ষেত্র থেকে প্রত্যাহার করবে।
এই চুক্তির ফলে দক্ষিণ সুদানের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে। এই তেলক্ষেত্রটি দক্ষিণ সুদানের প্রধান আয়ের উৎস। এই চুক্তির ফলে হেগলিগ তেলক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।



