মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে একটি হাসপাতালে সামরিক জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছেন। এই হামলা বুধবার রাতে সংঘটিত হয়েছে।
হাসপাতালটি রাখাইন রাজ্যের ম্রাউক-ইউ জেনারেল হাসপাতালে অবস্থিত। এই হামলায় হাসপাতালের ভবনগুলোতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর হাসপাতালের বাইরে সাদা কাপড়ে ঢাকা মৃতদেহ সারিবদ্ধভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
রাখাইন রাজ্য প্রায় সম্পূর্ণরূপে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাতিগত সংখ্যালঘু বিচ্ছিন্নতাবাদী বাহিনীটি গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চির বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করার জন্য সামরিক অভ্যুত্থানের অনেক আগে থেকেই সক্রিয়।
এই হামলার ঘটনায় মন্তব্য করতে সামরিক জান্তার মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে আরাকান আর্মির স্বাস্থ্য বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাত ৯টার দিকে বিমান হামলায় হাসপাতালে ভর্তি ১০ জন রোগী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।
এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়বে। মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হবে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা বাহিনী এই হামলার জন্য দায়ী। এই হামলায় নিহত এবং আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।
এই ঘটনার পর মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
এই হামলার ঘটনায় মিয়ানমারের জনগণের উপর যে প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মিয়ানমারের জনগণের উপর এই হামলার প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত সহায়তা প্রদান করা।
শেষ পর্যন্ত, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। মিয়ানমারের জনগণের উপর এই হামলার প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন।
আমরা মিয়ানমারের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানাই। আমরা মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করি।
মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
মিয়ানমারের জনগণের উপর এই হামলার প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। আমরা মিয়ানমারের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানাই।
শেষ পর্যন্ত, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। আমরা মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করি।
মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গুরুতর হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
মিয়ানমারের জনগণের উপর এই হামলার প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। আমরা মিয়ানমারের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানাই।
শে



