বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বিদেশি অপপ্রচার ও হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বাড়ছে। এই নির্বাচন হবে ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রথম নির্বাচন।
ইলেকশন ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স (ইআইটিএফ) একটি নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে বিদেশি ভুয়া তথ্য-বিকৃতি ও হস্তক্ষেপ নিয়ে। এই নির্বাচনে বিদেশি প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান তাকে বহিরাগত প্রভাবের জন্য বিশেষভাবে স্পর্শকাতর করে তুলেছে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বিদেশি তথ্য-বিকৃতি ও হস্তক্ষেপের জন্য উর্বর পরিবেশ তৈরি করেছে। ৭ কোটি ৭০ লাখ অনলাইন ব্যবহারকারীর তুলনামূলক কম মিডিয়া সাক্ষরতা এবং ফেসবুক (৬ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারী) ও টিকটকের (৪ কোটি ৬৫ লাখ ব্যবহারকারী) মতো প্ল্যাটফর্মের ব্যাপক প্রভাব দেশকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করেছে।
ভারত, পাকিস্তান এবং চীনের বিভিন্ন গণমাধ্যম নেটওয়ার্ককে বাংলাদেশের অস্থির তথ্য পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ বাহ্যিক প্রভাবক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে টানাপোড়েন, পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন ঘনিষ্ঠতা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ—এসব ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক পক্ষগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাস এবং বিভিন্ন বিরোধী বর্ণনা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শুরু করেছে। তবে এই সংস্কারগুলো কীভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি অপপ্রচার ও হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বাড়ছে।
বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনে বিদেশি প্রভাব ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এই পদক্ষেপগুলো কীভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
এই পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান এবং প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি অপপ্রচার ও হস্তক্ষেপের ঝুঁকি বাড়ছে। বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনে বিদেশি প্রভাব ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
তবে এই পদক্ষেপগুলো কীভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে ন



