রানভীর সিংহের ছবি ধুরন্ধর ভারত এবং বিদেশে বক্স অফিসে ভালো রান করছে। চার দিনে, এটি বিদেশে ৪৪.০৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এই পরিমাণ আরও বেশি হতে পারত যদি ছবিটি উপসাগরীয় দেশগুলিতে মুক্তি পেত।
ধুরন্ধর ছবিটি বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুক্তি পায়নি। এটি একটি ‘পাকিস্তান-বিরোধী’ ছবি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এর আগেও এই ধরনের ছবি এই অঞ্চলে মুক্তি পায়নি।
ধুরন্ধর ছবিতে রানভীর সিংহের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অক্ষয় খান্না, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন, অর্জুন রামপাল, সারা অর্জুন এবং রাকেশ বেদি। আদিত্য দত্তের পরিচালনায় ছবিটি একজন ভারতীয় অফিসারের গল্প বলে যে পাকিস্তানে প্রবেশ করে এবং সেখানের অন্ডারওয়ার্ল্ড এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে বিপর্যয় সৃষ্টি করে।
২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া হৃতিক রোশন এবং দীপিকা পাদুকোণের ছবি ফাইটারও উপসাগরীয় দেশগুলিতে নিষিদ্ধ হয়েছিল। ছবিটির পুলওয়ামা হামলার চিত্রায়ন পাকিস্তানের কিছু অংশের সমালোচনার মুখে পড়েছিল।
এর আগে, অক্ষয় কুমারের ছবি স্কাই ফোর্স এবং জন আব্রাহামের ছবি দ্য ডিপ্লোম্যাটও মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে নিষিদ্ধ হয়েছিল। এই ছবিগুলিতেও পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছিল।
এই ঘটনাগুলি দেখায় যে পাকিস্তানকে নিয়ে করা ছবিগুলি উপসাগরীয় দেশগুলিতে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশি বেগ পেতে পারে না। এই ধরনের ছবিগুলি সেখানকার দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।
ধুরন্ধর ছবিটি ভারতে মুক্তি পেয়েছে এবং দর্শকদের কাছে ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। কিন্তু উপসাগরীয় দেশগুলিতে এর মুক্তি না হওয়ায় ছবিটির বিদেশী বাজারে বিক্রি কম হতে পারে।
এই ঘটনাটি দেখায় যে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছবির মুক্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ছবি নির্মাতাদের এই বিষয়গুলি বিবেচনা করে ছবি নির্মাণ করতে হবে।



