27 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস: সততার জমিনে বিজয়ের নিশান

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস: সততার জমিনে বিজয়ের নিশান

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো ১১ ডিসেম্বর তার জাতীয় দিবস পালন করে। এই দিনে ১৯৫৮ সালে তৎকালীন ‘আপার ভোল্টা’ ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন থেকে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়, এটি আত্মসম্মানবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই দিন বুরকিনা ফাসোর মানুষের কাছে পরাধীনতার শিকল ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ।

বুরকিনা ফাসোর ইতিহাস বারবার সংঘাত আর সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে, তবু তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা ফিকে হয়নি। তাদের এই দিবস মনে করিয়ে দেয়, একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষের চারিত্রিক দৃঢ়তা।

বাংলাদেশের বিজয়ের মাসে বুরকিনা ফাসোর এ গল্প আমাদের জন্যও প্রাসঙ্গিক। ১৯৭১ সালে আমরা যেমন পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম আমাদের ভাষা ও পরিচয়ের জন্য, তেমনি বুরকিনা ফাসোও লড়েছে তাদের আফ্রিকান পরিচয়কে ঔপনিবেশিক ছায়া থেকে মুক্ত করতে।

বুরকিনা ফাসোর বিজয়ের গল্পটা একটু আলাদা। দেশটির আসল বিজয় লুকিয়ে আছে এর নামের ভেতরেই। একসময় যার নাম ছিল আপার ভোল্টা, ১৯৮৪ সালে বিপ্লবী নেতা থমাস সানকারা তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘বুরকিনা ফাসো’। স্থানীয় মোরে ও দিউলা ভাষায় যার অর্থ, ‘সততার দেশ’ বা ‘Land of Incorruptible People’।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবসে রাজধানী ওয়াগাদুগুতে বর্ণিল কুচকাওয়াজ হয়, যেখানে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী মুখোশ আর পোশাক পরে অংশ নেয়। সাহেল অঞ্চলের রুক্ষ প্রকৃতিতেও যেন এদিন উৎসবের রং লাগে।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আত্মসম্মানবোধের গুরুত্ব সম্পর্কে মনে করিয়ে দেয়। একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষের চারিত্রিক দৃঢ়তা।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আমাদের নিজস্ব পরিচয় ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে। আমরা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও পরিচয়কে সংরক্ষণ করার জন্য সকলে একসাথে কাজ করতে পারি।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আত্মনির্ভরশীলতার গুরুত্ব সম্পর্কে মনে করিয়ে দেয়। একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও আত্মনির্ভরশীলতা।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করার জন্য অনুপ্রাণিত করে। আমরা আমাদের নিজস্ব পরিচয় ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলার জন্য সকলে একসাথে কাজ করতে পারি।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আত্মসম্মানবোধের গুরুত্ব সম্পর্কে মনে করিয়ে দেয়। একটি জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষের চারিত্রিক দৃঢ়তা ও আত্মনির্ভরশীলতা।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস আমাদেরকে আমাদের নিজস্ব পরিচয় ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলে। আমরা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও পরিচয়কে সংরক্ষণ করার জন্য সকলে একসাথে কাজ করতে পারি।

বুরকিনা ফাসোর জাতীয় দিবস

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments