সৌদি আরবের রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আলিয়া ভাটকে গোল্ডেন গ্লোব হরাইজন পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এই পুরস্কার সাথে তার চলচ্চিত্র জীবনের একটি বিশেষ রেট্রোস্পেক্টিভ অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলিয়া ভাট এই ফেস্টিভ্যালের অন্যতম সেরা ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তার এই স্বীকৃতি তার আন্তর্জাতিক কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ফেস্টিভ্যাল কর্তৃপক্ষ ইনস্টাগ্রামে এই ঘোষণা করেছে, যা তার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাব বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
গোল্ডেন গ্লোবসের প্রেসিডেন্ট হেলেন হোহনে বলেছেন, আলিয়া ভাটকে গোল্ডেন গ্লোব হরাইজন পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে তার অসাধারণ অবদানকে স্বীকার করছে। এই পুরস্কারটি মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকার আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংস্কৃতিতে দ্রুত উত্থানশীল সৃজনশীল শক্তিকে সম্মান করে।
আলিয়া ভাট বলেছেন, গোল্ডেন গ্লোবস থেকে এই স্বীকৃতি পাওয়া তার জন্য একটি সম্মান। তিনি বলেছেন, বিশ্বব্যাপী নারীদের ক্ষমতায়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য কাজ করা তার লক্ষ্য। তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বব্যাপী গল্প বলার জন্য একটি নতুন প্রজন্মের নারীদের অনুপ্রেরণা দেওয়া তার লক্ষ্য।
আলিয়া ভাটের এই স্বীকৃতি তার কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তিনি বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র শিল্পে একটি অনন্য অবদান রেখেছেন। তার এই স্বীকৃতি তার কর্মজীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আশা করা যায়।
আলিয়া ভাটের এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যও একটি অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। আলিয়া ভাটের সাফল্য বাংলাদেশের নারীদেরকে চলচ্চিত্র শিল্পে আসার জন্য অনুপ্রেরণা দেবে বলে আশা করা যায়।
আলিয়া ভাটের এই স্বীকৃতি চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য এই ধরনের স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ। আলিয়া ভাটের সাফল্য চলচ্চিত্র শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য একটি অনুপ্রেরণা হবে বলে আশা করা যায়।



