নরওয়ের রাজধানী ওসলোয় নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো পৌঁছেছেন। নোবেল কমিটির প্রধান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মাচাদো বৃহস্পতিবার রাতে ওসলোয় পৌঁছান, যা তার পুরস্কার গ্রহণের অনুষ্ঠানের কয়েক ঘণ্টা পরে।
মাচাদো ভেনেজুয়েলা থেকে গোপনে ওসলোয় পালিয়ে এসেছেন। তার দেশে তার উপর দশ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে লুকিয়ে ছিলেন।
নোবেল কমিটির প্রধান জনতাকে জানান, মাচাদো ওসলোয় পৌঁছেছেন এবং তিনি তার পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন। পরের দিন তিনি সবার সাথে দেখা করবেন।
মাচাদোর কন্যা আনা কোরিনা সোসা মাচাদো তার মায়ের পক্ষে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি তার মায়ের পক্ষে একটি বক্তৃতা প্রদান করেন, যেখানে তিনি বলেন যে গণতন্ত্র টিকে থাকার জন্য স্বাধীনতা লড়াই করা প্রয়োজন।
মাচাদো তার বক্তৃতায় বলেন, এই পুরস্কারটি তার দেশ এবং বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, গণতন্ত্র শান্তির জন্য অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলার মানুষ বিশ্বকে শিক্ষা দিতে পারে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে স্বাধীনতা লড়াই করা প্রয়োজন।
মাচাদো ভেনেজুয়েলা থেকে নৌকায় করে কুরাকাও দ্বীপে পালিয়ে যান। সেখান থেকে তিনি একটি বেসরকারি বিমানে নরওয়ে যান।
নোবেল কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, মাচাদো ওসলোয় পৌঁছানোর পর তার পরিবারের সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন। পরের দিন তিনি সবার সাথে দেখা করবেন।
ওসলো সিটি হলে মাচাদোর একটি বড় পোর্ট্রেট টাঙ্গানো হয়েছিল। শ্রোতারা তার প্রতি সম্মান জানাতে হত্তয়ার ও তালি দেন।
মাচাদোর এই পুরস্কার গ্রহণ ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। এটি দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে উদ্দীপিত করবে। মাচাদোর বক্তৃতা বিশ্বকে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করবে।
মাচাদোর পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ভেনেজুয়েলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি দেশটির গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। মাচাদোর বক্তৃতা বিশ্বকে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন করবে এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সমর্থন করবে।



