বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২১ হকি দলের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ একটি পুরনো আলোচনাকে আবার জাগিয়ে তুলেছে। বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন কি এই সাফল্যকে টেকসই অগ্রগতিতে রূপান্তরিত করতে পারবে?
চ্যালেঞ্জার ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল ১৭তম স্থানে অবস্থান করেছে। এটি খুব একটা আকর্ষণীয় নাও হতে পারে, কিন্তু একটি দেশের জন্য যেখানে হকি খেলার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো ও বিনিয়োগ নেই, এটি একটি আশার আলো।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে এবং তাদের প্রদর্শন দেখে সকলেই আশাবাদী। তারা অস্ট্রিয়া, কোরিয়া, চীন, মিশর ও কানাডার মতো দলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এটি একটি স্বপ্নের মতো বলে মনে হচ্ছে।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রিয়াজুল হাসান বলেছেন, অর্থায়ন হলো হকি খেলার বৃহত্তম বাধা। তিনি বলেছেন, ফেডারেশন স্পনসর ও সরকারি সহায়তা চাইবে বিশ্বকাপের গতিকে ধরে রাখতে।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দলের কোচ সিগফ্রিড আইকম্যান বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ দলের সাথে কাজ করতে চান, কিন্তু অর্থায়ন না থাকলে তা সম্ভব নয়। তিনি বলেছেন, ফেডারেশন সরকারের কাছে অর্থায়নের জন্য আবেদন করবে।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন এখন একটি নতুন সূচনা করতে চাইছে। তারা চাইছে হকি খেলাকে দেশের একটি জনপ্রিয় খেলা করে তোলা। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন অর্থায়ন ও সরকারি সহায়তা।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দলের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে তাদের প্রতিভা দেখিয়েছে। তারা দেখিয়েছে যে তারা সঠিক পরিবেশ পেলে বিশ্বমানের খেলা খেলতে পারে। এখন বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের দায়িত্ব হলো এই প্রতিভাকে ধরে রাখা ও তাদের সঠিক পরিবেশ প্রদান করা।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন যদি সঠিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে হকি খেলা দেশে আবার জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন সময়, অর্থায়ন ও সরকারি সহায়তা।



